দুদকের ১৩ মামলা থেকে অব্যহতি  পেলেন কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ

দুদকের ১৩ মামলা থেকে অব্যহতি  পেলেন কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ

মানজুরুল ইসলামঃ কালীগঞ্জ(লালমনিরহাট) প্রতিনিধি : লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ

উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন মাহবুবুজ্জামান
আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের মামলাগুলো থেকে তাঁকে অব্যহতি দেওয়া
হয়েছে।২০১৪ সালে দায়ের হওয়া এসব মামলার সবগুলোর চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল
করেছে দুদক। ফলে ‘অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি’ উল্লেখ করে আদালত তাঁকে মামলা
হতে অব্যহতি দিয়েছেন।বর্তমানে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
মাহবুবুজ্জামান আহমেদ মামলা দায়েরের পর থেকেই এগুলো মিথ্যা হিসেবে দাবি
করে আসছিলেন।আর আদালতের রায়ে শেষ পর্যন্ত তাঁর দাবিটিই সত্যি হিসেবে
প্রমাণিত হলো। এ মামলার প্রথম আসামী কালীগঞ্জের তৎকালীন প্রকল্প
বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নভেন্দু নারায়ন চৌধুরীও অব্যহতি পেয়েছেন বলে
রায়ের কপি সূত্রে জানা গেছে। তাদের দুজনকে অব্যহতি দেওয়ার পাশাপাশি
মামলাগুলো নিস্পতিও করে দেন আদালত। আদালত সূত্র জানা যায়, মাহবুবুজ্জামান আহমেদ সহ নভেন্দু নারায়ন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের পৃথক ১৩টি মামলা থেকে দুজনকেই গত ১৮ মে অব্যহতি দেন লালমনিরহাট সিনিয়র স্পেশাল জজ মোঃ বজলুর রহমান। গত ২২ মার্চ দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালত প্রতিটি মামলায় তাঁর রায়ে বলেন, ‘৪০৯ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার অভিযোগ
প্রাথমিকভাবে প্রমানিত না হওয়ায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যহতি দেয় হলো’।
জানা গেছে, দুদকের সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচলাক মোহাম্মদ জাকারিয়া
বাদি হয়ে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ থানায় মামলাগুলো করেছিলেন। নিয়মানুযায়ী মামলা দায়েরের পর দুদকেই দীর্ঘদিন ধরে সেগুলোর তদন্ত করে। তবে শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুদক আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন
দাখিল করেন। মামলাগুলোতে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে জিআর চাল আত্নসাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
এ বিষয় কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন, ‘আমি একটি সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে মানুষ ও সমাজের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে চলছি। ফলে আমার বিরুদ্ধে আত্নসাতের অভিযোগ আনা এক ধরণের বেমানান। আর প্রকল্প প্রনয়ণ থেকে শুরু করে চাল উত্তোলন পর্যন্ত পুরো সময়টা আমি সরকারী সফরে দেশের বাইরে ছিলাম। অথচ আমাকে অন্যায়ভাবে এসব মামলায় জড়ানো হয়েছিল যা আদালতের রায়ের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে’।

মন্তব্য নেই

উত্তর