বাতিলের পরও ছাত্রলীগে সভাপতি প্রার্থী ৬৬, সম্পাদকে ১৬৯

বাতিলের পরও ছাত্রলীগে সভাপতি প্রার্থী ৬৬, সম্পাদকে ১৬৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী ২৮ বছরকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচনের গ্রহণযোগ্য বয়সসীমা ধরা হয়েছে। সে বিবেচনায় শীর্ষপদ প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে বাদ পড়েছেন অনেকে। নেতৃত্ব নির্বাচনে চলতি বছরের ১১মের মধ্যে ২৮ বছরের অধিক বয়সের পদপপ্রত্যাশীদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। আর চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়েছে পদপ্রত্যাশী বৈধ প্রার্থীদের তালিকা।

শুক্রবার রাতে সংগঠনে ২৯তম কাউন্সিলের জন্য গঠিত তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন এ তালিকা প্রকাশ করে। এতে স্বাক্ষর করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরিফুর রহমান লিমন, নির্বাচন কমিশনার নওশাদ উদ্দিন সুজন ও সাকিব হাসান সুইম।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের সম্মেলনের উদ্ধোধনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেতা নির্বাচনে ২৮বছর নির্ধারণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি বলেন, ছাত্রলীগে নেতৃত্ব নির্বাচনে বয়স ২৭। কিন্তু বর্তমান কমিটি ইতোমধ্যে ৯ মাস অতিক্রম করেছে। তাই আমি চাই না কেউ যেন বঞ্চিত হোক। বয়স এক বছর গ্রেজ দিচ্ছি। ২৮ বছর নির্ধারণ করা হলো।

এদিকে নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত বৈধ প্রার্থীদের তালিকা থেকে জানা গেছে, বর্তমানে সভাপতি প্রার্থী ৬৬ জন। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ১৬৯ জন। এদের মধ্যে অনেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উভয় পদেই আবেদন করেছেন।

সভাপতি পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাদ পড়াদের তালিকায় রয়েছেন ৩৮ জন। তারা হলেন মো. রুহুল আমিন, মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন প্রিন্স, আদিত্য নন্দী, দিদার মো. নিজামুল ইসলাম, গোলাম রাব্বানী, মোবারক হোসাইন, এনামুল হক প্রিন্স, সজিব বিশ^াস, মাকসুদ রানা মিঠু, মেহেদী হাসান রনি, সায়েম খান, এরশাদুর রহমান, আবু সালমান প্রধান, অসীম কুমার বৈদ্য, এম এইচ এম শাহ আলম সাদ্দাম, আমিনুল ইসলাম, শওকতুজ্জামান সৈকত, মো. আল আমিন, তানজীল ভুইয়া তানভীর, সৈয়দ আশিক, শাহিদুল ইসলাম, শরিফুল হাসান ফারুক, ইমরোজ হায়দার, আল আমিন ম-ল, মনসুর হেলাল, আব্দুর রহিম তুহিন, শরিফুল হাসান শুভ, আতিকুর রহমান সুমন, মিনার হোসেন, সুরঞ্জন ঘোষ, সাইদুল ইসলাম, তৌুহদুল ইসলাম চৌধুরী,আরিফ খান লাভলু, হাবিবুর রহমান সুমন, আপেল মাহমুদ, ওবায়দুল ইসলাম, রাজিব আহমেদ রাসেল। এছাড়া দু’জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন আগেই প্রত্যাহার করেছেন।
আর সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ১৪ জন। তারা হলেন- দেলোয়র হোসেন শাহজাদা, রাসেল চৌধুরী, সৈকত চৌধুরী, রহমত উল্লাহ খান, নবী আলম, আব্দুল্লাহ আল কাউয়ুম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হারুনুর রশিদ, শিরীন শিলা। অন্য পাঁচজন সভাপতি পদপ্রার্থীও ছিলেন। তাই উভয়ক্ষেত্রেই তাদের প্রার্থীতা বাতিল হয়ে গেছে।

এদিকে এক নোটিশে বাদ পড়া পদপ্রত্যাশীদের কারো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মনোনয়ন ফরমের অনুলিপি নিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।