বিএনপির যেসব নেতার নির্বাচন অনিশ্চিত

দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত কোনো আসামি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না- উচ্চ আদালতের এই রায়ের পর অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার নির্বাচনের ভবিষ্যৎ।

মঙ্গলবার দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আর এই রায়ের ফলে বিএনপির একাধিক নেতার সাজা বাতিলের আবেদনও খারিজ হয়ে গেছে।তারা হলেন- সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমানউলাহ আমান, বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া, সাবেক সংসদ সদস্য ও ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মো. মশিউর রহমান এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. আব্দুল ওহাব।

মঙ্গলবার হাইকোর্ট এক রায়ে বলেছেন, নিম্ন আদালতে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তবে উচ্চ আদালতে তার সাজা স্থগিত বা জামিন হলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন।

দুর্নীতির দায়ে বিচারিক আদালতের দেয়া দণ্ড ও সাজা (কনভিকশন অ্যান্ড সেন্টেন্স) স্থগিত চেয়ে বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানসহ বিএনপির পাঁচ নেতার করা আবেদন খারিজের রায়ে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কারও দুই বছরের বেশি সাজা বা দণ্ড হলে সেই দণ্ড বা সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল বা স্থগিত করে তাকে জামিন দেন।