ঘোড়াঘাটে ইয়াবা ফেন্সিডিলের বিকল্প ঝাকি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ইয়াবা ফেন্সিডিলের বিকল্প কাশির সিরাপ,ডেকাসন ট্যাবলেট, ভিটামিন ট্যাবলেট, ঘুমের ট্যাবলেট, ক্যালশিয়াম দিয়ে তৈরী শ্যামপ্যাক, ঝাঁকি আর ম্কিসার দিয়ে চলছে মাদক সেবা। অরিরিক্ত পুলিশ তৎপরতায় ইয়াবা ফেন্সিডিল এলাকায় না পাওয়ায় এবার ভিন্ন পথে নেশার ধরন পাল্টে নিয়েছে এলাকার চিহিৃত মাদক সেবীরা। ।

বিকল্প এই শ্যামপ্যাক, ঝাঁকি আর ম্কিসার নামের মাদকের প্রধান উপকরণ হলো, কাশির সিরাপ,ডেকাসন ট্যাবলেট, ভিটামিন ট্যাবলেট, ঘুমের ট্যাবলেট, ক্যালশিয়াম। বিকল্প এই শ্যামপ্যাক, ঝাঁকি আর ম্কিসার নামের মাদক হরহামেশা বানিয়ে নেশাগ্রস্ত হচ্ছে এলাকায় উঠতি বয়সী তরুণরা। এসব নেশা হাতের নাগালে পাওয়ায় স্কুল কলেজের শ্ক্ষিার্থীরাও এই নেশার সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে। নিকটবর্তী ফার্মেসী আর ওষুধের দোকানে ডাক্তারের চিকিৎসাপত্র ছাড়াই দেদারছে বিক্রি করছে দোকনের মালিকরা। যেন দেখার কেউ নেই। মাদক রোধে যতটা তৎপর প্রশাসন কার্যত বিকল্প এই মাদক রোধে কোনো ভূমিকা নেই। তাই দিন দিন বিকল্প এই মাদকের পিছনে ঝুকছে এলকার মাদকসেবীরা।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের এই চিত্র পুরো উপজেলাজুড়ে। এখন তাদের চলাচল ও ভিড় বেড়েছে ওষুধ ফার্মেসীগুলোতে। এসব দোকানে কম মূল্যে ও হাতের নাগালের মধ্যে সহজে মাদকাসক্তরা পাচ্ছে নেশাজাতীয় দ্রব্য। এ বিষয়ে ওষুধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় প্রশাসন কোন কার্যকর ভূমিকা রাখছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

সুত্রে জানা যায়, ওষুধ কোম্পানী প্রতিনিধিদের ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন কোন পার্মেসীতে ওষুধ সরবরাহের নিয়ম না থাকলেও তারা সরকারি নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা না করেই যত্রতত্র লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী মালিকদরে কাছে এসব ঔষধ বিক্রি করছেন। এছাড়া ওষুধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষের তৎপরতা ওজরদারি না থাকায় ওষুধ ব্যবসার আড়ালে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই অসৎ কিছু ব্যবসায়ী বিক্রি করছেন মাদকের উপকরণ । কাশির সিরাপ,ডেকাসন ট্যাবলেট, ভিটামিন ট্যাবলেট, ঘুমের ট্যাবলেট, ক্যালশিয়াম।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা হাসপাতালের এক মেডিকেল অফিসার বলেন, ‘যারা এ নেশার সাথে নিজেকে জড়িয়েছে তাদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে তন্দ্রা, ঝিমুনি কিংবা ঘুমের ভাব আসে। কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রয়া খুবই ভয়াবহ। এর আসক্তদের দাম্পত্য জীবন অসূখী হয়। পরবর্তীতে শরীরে পানি জমবে, কিডনী নষ্টসহ নানা রকম জটিল রোগে আক্রান্ত হবে। যার পরিণাম অকাল মৃত্যু।’

ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘এখন থেকে ওষুধের দোকান ও উপজেলার ফার্মেসীগুলোর উপর আমরা কড়া নজরদারী রাখছি।’

সক/তৌহিদ