দামুড়হুদায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের খাতা বিক্রি করলেন উপজেলা শিক্ষা অফিস।


চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার শিক্ষা অফিস প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রায় সোয়া চার লাখ টাকার হাতের লেখার খাতা বিক্রি করেছেন । প্রতিটি বিদ্যালয়ের স্লিপ ফান্ডের টাকা দিয়ে খাতা কিনতে নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের। দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়কে প্রত্যেক বছর স্লিপ ফান্ড বাবদ ৪০০০০/=টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় বিদ্যালয়ের উন্নয়ন করার জন্য। গত বছর ফ্রেবুয়ারী মাসে প্রতিটি বিদ্যালয়কে ৪০০০০/= টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। তারপরেই প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে খাতা কেনার নির্দেশ দেয়া হয়। ১ম ও ২য় শ্রেণির জন্য হাতের লেখার খাতা করতে বলা হয়। প্রতিটি খাতার মূল্য ধরা হয় ৩৮/= টাকা করে। উপজেলার ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১১০০০ পিস খাতা বিক্রি করে উপজেলা শিক্ষা অফিস । যার আনুমানিক মুল্য প্রায় সোয়া ৪ লাখ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে ৪১ পৃষ্ঠা একটি খাতার মূল্য ৩০/৩১ টাকার মধ্যে। সেক্ষেত্রে এখানে তারা খাতা প্রতি ৮টাকা করে বেশি নেন শিক্ষা অফিস। যার ফলে প্রায় পনে একলাখ টাকার গড়মিল দেখা যায়। উপজেলা শিক্ষা অফিস কিভাবে খাতা বিক্রি করে তা বোধগম্য নয়।

এ ব্যাপারে ডিজিএম শান্তি পাড়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি আলাউদ্দিন জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে আমরা ১ম এবং ২য় শ্রেণির খাতা স্লিপ ফান্ড হতে ক্রয় করি। এ ব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সেলিম রেজা জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ সকলের সাথে পরামর্শ করে আমরা খাতা বিক্রি করি।

উন্নত কাগজ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বলে খাতার দাম ৩৮ টাকা পড়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকি সালাম জানান, তার অফিস থেকে কোন খাতা বিক্রি করা হয়নি ।