জাপা সাবেক মহাসচিবের বিরুদ্ধে নারী ভাইস চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

সোলায়মান পিন্টু,(কলাপাড়া)পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। মামলা দিয়ে হাজতবাসে রেখে লুটে নেয়া হয়েছে ১৩ শতক জমিসহ স্থাপনা ও আসবাবপত্র। প্রবেশপথ আটকে দখল করে নেয়া হয়েছে। থানায় আটকে রেখে সাত ঘন্টা পরে মামলা দেয়া হয়েছে। মহিলা পুলিশ দিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এমন নানা অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজনীন আক্তার স্বর্ণা। এ ঘটনায় জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের কুয়াকাটার কেয়ারটেকার কমল হাওলাদার, সহযোগী আনোয়ার হোসেন, দলিল লেখক ফারুক ও কর্মচারী টিক্কাকে দায়ী করেন সংবাদ সম্মেলনে।
স্বর্ণা তার লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, ২০০২ সাল থেকে কুয়াকাটায় ব্যসায়ীক উদ্দেশ্যে জমি ক্রয় করতে থাকেন। প্রায় ৭০ বিঘা জমির মালিক তিনি। এর মধ্যে এসএ ১২০৩ নম্বর খতিয়ানে একটি স্থাপনাসহ ৩৩ শতক জমি ক্রয় করেন ২০০৮ সালে। যা থেকে ২০ শতক বিক্রি করেছেন। বাকি জমিতে তিনি বসবাস করে আসছেন। যার নাম স্বর্ণাঞ্চল। কিন্তু ওই বাড়ির প্রবেশ পথটি কমল হাওলাদারসহ তার সহযোগীরা বন্ধ করে দেয়। যা শোনার পরে স্থায়ীভাবে লোহার গেট লাগানোর জন্য রাজমিস্ত্রি নিয়ে কাজ করছিলেন। ৩ মার্চ কাজ চলাকালে প্রথমে মহীপুর থানার এসআই হাফিজুর রহমান কয়েকজন পুলিশ নিয়ে বাঁধা দেয়। অপমানজনক কথা বলেন। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করি। ব্যর্থ হয়ে মহিপুর থানার ওসি সাইদুল সাহেবকে ফোন করেন। ওসি সাহেব থানায় চা খাওয়ার দাওয়াতের কথা বলে। যেতে না চাইলে পুলিশ ভ্যানে জোর করে তোলার চেষ্টা করা হয়। বাধ্য হয়ে একটি ভাড়াটে হোন্ডায় স্বর্ণা মহিপুর থানায় যান। সেখানে তাকে আটকে রেখে কে আর ফ্যাশন ইন্টারন্যাশনালের কেয়ারটেকার কমল হাওলাদারকে দিয়ে একটি মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। স্বর্ণা জানান, ১১দিন হাজতবাসের পরে কুয়াকাটায় এসে এখনও তিনি নিরাপত্তাহীন রয়েছে।
অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন জানান, কে আর ফ্যাশনের মধ্যে নাজনীন আক্তার এক শতক জমি পেলেও দেয়া হবে। উল্টো কে আর ফ্যাশনের জমির দেয়াল ভাঙ্গা হয়েছে বলে কেয়ারটেকার কমল হাওলাদার পাল্টা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে মহিপুর থানার ওসি সাইদুল ইসলাম জানান, নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে। তিনি মহিলা পুলিশকে গালাগালসহ লাঞ্ছিত করে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।