রাবি শিক্ষক সফিউল হত্যাকাণ্ডে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

(ইউএনবি)- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমান পাশাপাশি বিএনপি নেতাসহ এ মামলায় অপর আট আসামিকে বেখসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সোমবার রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার রায় এ আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আব্দুস সামাদ পিন্টু, কাটাখালী পৌর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মানিক এবং লুৎফর রহমান সবুজ। এদের মধ্যে সবুজ পলাতক রয়েছেন।

খালাস প্রাপ্তরা হলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জল, আবদুস সামাদ পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আক্তার রেশমা, সিরাজুল ইসলাম কালু, আল-মামুন, সাগর, জিন্নাত আলী, ইব্রাহীম খলির এবং আরিফ।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এই মামলার রায়ের দিন ১৫ এপ্রিল (আজ) নির্ধারণ করেন।

২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় অধ্যাপক শফিউলকে।

পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে নগরের মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ওই বছরের ২৩ নভেম্বর বিশ্বিবিদ্যালয়ের এক নারী কর্মকর্তার স্বামী আবদুস সামাদ পিন্টু ছয়জনকে আটক করে র‌্যাব। পরে পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আখতার রেশমাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। আটকের পর রেশমা ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউস সাদিক জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, তার ব্যবসায়ীক পাটনার পিন্টু ও তার স্ত্রী রেশমাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।