রেসিপি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি রান্না

পহেলা বৈশাখের মেন্যুতে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার তো চাই-ই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মজাদার শুঁটকি রান্না স্বাদে নিয়ে আসতে পারে বৈচিত্র্যতা। যেকোনও ধরনের তাজা শাক-সবজি দিয়ে রান্নাটি করে ফেলা যায়। জেনে নিন রেসিপি।
উপকরণ
ছোট বেগুন- ৪টি
ডাঁটা- কয়েকটি
কচুশাক- পাতা ও ডগা
পুঁই শাক- কয়েকটি
লতি- ২৫০ গ্রাম
কাঁঠালের বিচি- ২৫০ গ্রাম
আলু- ২টি (বড়)
লইট্যা শুঁটকি- ১ কাপ (১ ইঞ্চি করে কাটা)
বাঁশপাতা চ্যাপা শুঁটকি- ৮-১০টি
চিংড়ি মাছ- ১ কাপ (ছোট)
ছেঁচা রসুন- আধা কাপ
তেল- ১/৪ কাপ
পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ
রসুন বাটা- ১/৪ কাপ
হলুদের গুঁড়া- ১ চা চামচ
মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
মরিচ- কয়েকটি
প্রস্তুত প্রণালি
বেগুন ছোট টুকরা করে কেটে নিন। ডাঁটার বাইরের আঁশ উঠিয়ে এক ইঞ্চি করে কেটে নিন। কচু শাক ও পুঁই শাক টুকরা করে নিন। লতি ভাপে দিয়ে পানি ফেলে দিন। এতে গলা ধরবে না। কাঁঠালের বিচির বাইরের খোঁচা ফেলে সামান্য ছেঁচে নিন। আলু টুকরা করে নিন। লইট্যা শুঁটকি কেটে নিন ১ ইঞ্চি করে। বাঁশপাতা চ্যাপা শুঁটকির আঁশ ছাড়িয়ে মাথার অংশ ফেলে নিন।
চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে শুঁটকি টেলে নিন। শুঁটকি ভাজা হলে নামিয়ে ধুয়ে নিন ভালো করে। আরেকটি হাঁড়িতে পানি দিন। বাঁশপাতা শুঁটকি দিয়ে দিন পানিতে। বলক উঠলে কাঁটা আলাদা ফেলুন। পানিসহ শুঁটকি নামিয়ে আরেকটি হাঁড়ি বসান চুলায়। তেল গরম করে পেঁয়াজ বাটা ও রসুন বাটা হালকা ভেজে সামান্য পানি দিন। এবার এক এক করে গুঁড়া মসলা দিয়ে দিন। মসলা নেড়েচেড়ে কষিয়ে নিন। লইট্যা শুঁটকি দিয়ে দিন। অল্প পানি দিয়ে কষিয়ে নিন শুঁটকি। মিডিয়াম আঁচে কষানো হলে সবজি দিয়ে দিন। যেকোনও সবজিই দিতে পারেন চাইলে। চিংড়ি ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন হাঁড়ি। ৫ থেকে ৭ মিনিট পর ঢাকনা তুলে নেড়ে নিন। কাঁটা ছাড়ানো শুঁটকির পানি দিয়ে দিন হাঁড়িতে। বলক উঠে গেলে হাঁড়ি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। মিডিয়াম আঁচে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে। সব শাকসবজি সেদ্ধ হয়ে গেলে ছেঁচা রসুন দিয়ে নেড়েচেড়ে জ্বাল বাড়িয়ে দিন চুলার। পানি আরেকটু শুকালে মরিচ চিড়ে দিয়ে দিন। কয়েক মিনিট দমে রেখে নামিয়ে
নিন।