মাদ্রাসাগুলোতে কারিগরি ট্রেড খোলা হচ্ছে

মাদ্রাসাগুলোতে কারিগরি বিভিন্ন ট্রেড খোলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি জানান, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতে জীবনমুখী কাজে নিযুক্ত হতে পারে সে জন্য মাদ্রাসার শিক্ষাক্রম পরিমার্জনে কাজ করেছে সরকার। বুধবার (১২ জুন) সচিবালয়ে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মূল ধারার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে তাদের সর্বোচ্চ ডিগ্রিকে ইসলামিক স্টাডিজ বা আরবি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্সের সমমান দেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টিতে সরকার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা নীতির আলোকে সকল শ্রেণির মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিস্তারে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। ঝরে পড়া রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গৃহকর্মীসহ সমাজের অনগ্রসর শ্রেণির শিশুরা যাতে মৌলিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না থাকে সরকার সে দিকে নজর রাখছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার জেনেভা ক্যাম্পের মতো কয়েকটি ভিন্ন দেশের আটকে পড়া নাগরিকদের শিক্ষার জন্য কার্যক্রম চালাচ্ছে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়া সরকারের পক্ষে কষ্টকর।