কলকাতা ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানকে নিয়ে সংশয়

স্পোর্টস রিপোর্ট :

কোনো সমস্যা ছাড়াই শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের দুটি আসর বসিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু এবার ভারতের দুই বড় ক্লাব ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের জন্য এ টুর্নামেন্ট নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কায় কর্মকর্তারা। এ জটিলতা কাটিয়ে উঠতে শুক্রবার ভারত যাচ্ছেন আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী ও পৃষ্ঠপোষক সাইফ পাওয়ারটেকের কর্মকর্তারা।

আগামী অক্টোবরে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চেয়েছিল আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বলেছিল ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আয়োজন করতে। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও টুর্নামেন্টের আয়োজন করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ ভারতীয় ক্লাব ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তাদের তরফ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। যার ফলে টুর্নামেন্ট শুরুর দিনক্ষণ ঠিক করতে পারছে না

চট্টগ্রাম আবাহনী। আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দিলেও কোনো উত্তর আসেনি। টুর্নামেন্টকে আকর্ষণীয় করতে দুই ভারতীয় ক্লাবকেই রাখতে চান আয়োজকরা। তাই আর বসে থাকতে চাইছেন না কর্মকর্তারা। দুই ক্লাবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে উড়াল দিচ্ছেন ভারতে। ভারতের কলকাতায় যাচ্ছেন সাইফ পাওয়ারটেকের কর্ণধার তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের কো-অর্ডিনেটর শাকিল মাহমুদ চৌধুরীসহ তিনজন। দুই ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।

এবারের আসর আট দল নিয়ে আয়োজন করতে চায় চট্টগ্রাম আবাহনী। এর মধ্যে পাঁচটি বিদেশি এবং তিনটি বাংলাদেশের ক্লাব। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, রানার্সআপ আবাহনী এবং আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী প্রতিনিধিত্ব করবে বাংলাদেশের। ভারতের ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান ছাড়াও অন্য তিন দলের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে পাঁচ দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, নেপাল ও কম্বোডিয়া। এবারের আসরে অংশ নেয়া দলগুলো অংশগ্রহণ ফি পাবে ১০ হাজার মার্কিন ডলার করে। চ্যাম্পিয়ন দলকে দেয়া হবে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। রানার্সআপ দলের পুরস্কারের পরিমাণ হতে পারে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।